প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল কারসাজি ঠেকাতে নতুন আইন, সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

740425420_122180307746909938_7823570330904467404_n

জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’। প্রায় ৪৫ বছর আগের বিদ্যমান আইন সংশোধন করে ডিজিটাল যুগের পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ দমনে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে প্রশ্নপত্র বা উত্তরপত্র ফাঁস, অবৈধ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা, পরীক্ষার ডাটাবেজ হ্যাকিং এবং পরীক্ষার তথ্য পরিবর্তনের মতো গুরুতর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া, পরীক্ষা কেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ, নকল করা বা নকলের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

আইনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হলো, প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল কারসাজি’র সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, এই আইনের অধীন অপরাধগুলোকে আমলযোগ্য (Cognizable) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়।

নতুন এই আইনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস, সাইবার কারসাজি এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা জালিয়াতি রোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।